principal.kmb@gmail.com

088 01736-153645

ইতিহাস

পোস্ট – কলিমহর 

উপজেলা- পাংশা

জেলা- রাজবাড়ি

কলেজ কোড- ৬৫১৩

EIIN -১১৩৪২৩

HIGHER SECONDARY FEMALE SCHOLARSHIP PROJECT IDENTITY NO (HSFSP): ০৩৮২৭৩২৩/০৩৮২৭৩২৪

পোস্ট কোড- ৭৭২১

প্রতিষ্ঠার তারিখ- ১৪/০২/২০০০

প্রতিষ্ঠানের প্রকার- উচ্চ মাধ্যমিক মহাবিদ্যালয়

প্রতিষ্ঠাতা- মোঃ নুরুল ইসলাম মিয়া

 

প্রতিষ্ঠাতার বৃত্তান্ত-

কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি – মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম (বকুল মিয়া)

কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি -

দাতা- মোঃ রফিকুল ইসলাম (আরজু মিয়া)

স্থান- কলিমহর মৌজা, কলিমহর ইউনিয়ন, পাংশা উপজেলা, রাজবাড়ি জেলা

ইতিহাস-

সমগ্র বিশ্ব জুড়েই একবিংশ শতাব্দী আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এই এলাকার পল্লী সমাজ এই কলেজের মাধ্যমে বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে। একবিংশ শতাব্দি সূচনার পূর্বে ,প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে, এই এলাকার জনগন থানা ও জেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। কলমহর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক জনাব নুরুল ইসলাম মিয়া ( খোকা মিয়া নামে সমাধিক পরিচিত)ই প্রথম চেয়েছিলেন এই গ্রাম্য এলাকাকে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষায় আলোকিত করতে। এই অঞ্চলে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে, সে ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে একটি মিটিং ডাকেন। তার এই পদক্ষেপকে স্থানীয় জনতা প্রচুর সমর্থন দিয়েছিল।কলিমহর গ্রামের এক রাস্তার ধারেই একটি জমি নির্বাচন করা হল যা ছিল বর্তমান কলেজের ঠিক ডান পার্শ্বে। অনেকবার মিটিং এবং চেষ্টার পরে ২০০০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী কলেজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রথমে একটি টিনের ঘরে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। তারপর থেকে প্রতিষ্ঠানটি অনেক চরাই উৎরাইয়ের ভেতর দিয়ে এগিয়ে গেছে। কিন্তু কোন বাঁধাই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ২৯/০৮/২০০৫ তারিখে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন পায়। এরপর ২০০৮ সালে আধা-পাকা কলেজ ভবন তৈরি হয়। ২০১০ সালে প্রথম বহুতল ভবন ( ‘নুরুল ইসলাম মিয়া’ প্রাতিষ্ঠানিক ভবন ) প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বহুতলবিশিষ্ট  ছাত্রী হোস্টেল ( মাহবুবা খাতুন মহিলা হোস্টেল)এর কাজও শেষ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি  ০১/০৭/২০০৯ তারিখে প্রথম বাবের মত  স্বীকৃতি পায়। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি কম্পিউটার শিক্ষা, ভূগোল, কৃষি শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি  পায়। ২০০৮ সালে কলেজটির প্রথম ব্যাচ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে  এবং ৬২.৫০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করে। এই পাশের হার ২০০৯ সালে ৮৫.১১ এবং ২০১০ সালে ৬৭.৬৯ ছিল। ২০১৬-১৭ শিক্ষা বৎসরে ১২৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবে। বর্তমানে কলেজে আছে একটি কম্পিউটার ল্যাবরেটরি, একটি কৃষি শিক্ষা ল্যাবরেটরি, একটি ভূগোল ল্যাবরেটরি,একটি লাইব্রেরি ও একটি নামাজ কক্ষ। এখানে আরো আছে একটি খেলার মাঠ, একটি বহুতল ভবন ও আধা-পাকা কলেজ ভবন, তিনটি ছাত্র হোস্টেল, একটি বহুতল ছাত্রী হোস্টেল। কলেজে এ আছে বিদ্যুৎ সুবিধা, একটি পাকা রাস্তা কলেজের সামনে দিয়ে চলে গেছে। কলেজের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে সিরাজপুর হাওড়। এই প্রাকৃতিক রুপ বৈচিত্র্য কলেজের পরিবেশকে দিয়েছে এক নির্মল প্রানবন্ততা ।

 

মহাবিদ্যালয়ের কালক্রমিক ইতিহাস-

২৫/১০/১৯৯৯ -  অত্র এলাকায় মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে, প্রথম উন্মক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম সংগঠক কমিটিও একই দিনে নির্ধারিত হয়।

২২/১১/১৯৯৯ - সংগঠক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

০৯/১২/১৯৯৯ – বর্তমানের স্থানটি কলেজ নির্মাণের জন্য অনুমোদিত হয়।

১৪/০২/২০০০ – কলেজের প্রথম অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

২০/০২/২০০০ – সোনালি ব্যাংক,একতারপুরহাট শাখা,খোকসা, কুষ্টিয়াতে কলেজের ব্যাংক হিসাব খোলা হয়।

১২/০৬/২০০০ – অধ্যক্ষ, শিক্ষকবৃন্দ, এবং শিক্ষার্থী (২০০০-২০০১ সেশন) ভর্তির সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

০৭/০৭/২০০০ – সিলেকশন বোর্ড অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের নিয়োগ দানের জন্য নির্বাচিত করেন।

১০/০৭/২০০০ – মোঃ মাহবুবুল আলম অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান করেন।

১৫/০১/২০০১ – ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সমীপে টাকা ৫,০০০/= ভর্তি  অনুমোদন ফি হিসাবে জমা করা হয়।২০০২,২০০৩, ও ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিবার টাকা ৫,০০০/= করে ভর্তি অনমদনের জন্য জমা করা হয়।   

১০/০৫/২০০১ - সরকারের পক্ষ থেকে টাকা ৪৮,০০০/= অনুদান হিসেবে দেয়া হয় সংস্কার কাজের জন্য।

২১/০৭/২০০১ – তৎকালীন ডিসট্রিক্ট কমিশনার রাজিয়া বেগম প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন এবং একটি চারা গাছ রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

২০০১ – শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।

০৪/০৪/২০০২- স্থানীয় এম,পি, আলি নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং নাসিরুল হক সাবু  শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি প্রদানের জন্য সুপারিশ করেন।

২৫/০৫/২০০২ - তৎকালীন বাংলাদেশ পুলিশের ডি,আই,জি, জনাব আব্দুস সালাম প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।

২০০২ – শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।

০৬/০৮/২০০৩ - স্থানীয় এম,পি, নাসিরুল হক সাবু  প্রতিষ্ঠানটির একটি সাধারন সভায় অংশগ্রহণ করেন।

২০০৩ - ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সহকারী কলেজ পরিদর্শক উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন রিপোর্ট ২১/০১/২০০৩ সালে প্রকাশ করা হয়।

২৭/০৫/২০০৪ - সরকারের পক্ষ থেকে টাকা ৭৫,০০০/= অনুদান হিসেবে দেয়া হয় সংস্কার কাজের জন্য।

জুন,২০০৫ – কলেজ পরিদর্শক- হাওলাদার প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।

২৯/০৮/২০০৫ – ঢাকা শিক্ষা বোর্ড হতে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি প্রদান করা হয়।

০৩/০৪/২০১০ – প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দানের উদ্দেশ্যে কলেজ পরিদর্শক- ডঃ শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।

মে,২০১০- ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ৩ বৎসরের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির আদেশ পাশ করে। প্রথমত শিক্ষা মন্ত্রনালয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক তিনটি ব্যবহারিক বিষয়ের ( কম্পিউটার শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা ও ভূগোল ) অনুমোদন দেয়া হয়।